১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
    লগইন
    ডিজিটাল গ্রাম
    জাতীয়

    বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে ঢাকায় দ্বিতীয় মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট উদ্বোধন

    ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

    এম আকবর হোসেন :

    বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরা সেক্টর-১৭ লেকসাইড এলাকায় দ্বিতীয় মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট উদ্বোধন করা হয়েছে। শক্তি ফাউন্ডেশন ফর ডিসএডভান্টেজড উইমেন-এর উদ্যোগে, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) পিএলসি-এর সহযোগিতায় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর সার্বিক সহায়তায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ বনায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

    নগর পরিবেশে সবুজায়ন বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও তাপমাত্রা কমানো এবং নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব উন্মুক্ত স্থান সৃষ্টি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে গড়ে তোলা এই বনাঞ্চল ভবিষ্যতে রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সম্মেলন

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শক্তি ফাউন্ডেশন ফর ডিসএডভান্টেজড উইমেন-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক ইমরান আহমেদ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, একটি সবুজ, টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল ঢাকা গড়ে তুলতে নগর বনায়নের বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তিনি রাজউকের সবুজ ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়তা করার জন্য শক্তি ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান।

    বিশেষ অতিথি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, দ্রুত নগরায়ণের ফলে ঢাকায় সবুজের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

    সভাপতির বক্তব্যে ইমরান আহমেদ বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমেই বনকে টেকসই সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। প্রথম দুই বছর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে এ বনাঞ্চল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।

    রাজউকের চেয়ারম্যান

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূঁইয়া, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প ও নকশা) মোহাম্মদ মুজাফফর উদ্দিন, প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) মো. আমিনুর রহমান, এমটিবি পিএলসি-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মামুন ফারুক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তুরাগ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যাংকিং খাতের প্রতিনিধিরা।

    জানা গেছে, ২ হাজার ২৮৫ বর্গমিটার আয়তনের এ মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্টে ৯৩ প্রজাতির প্রায় ৬ হাজার ১০০টি দেশীয় ফলজ, ফুলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে। সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগ প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি রাজধানীর পরিবেশ উন্নয়ন ও নাগরিক জীবনের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

    ডিজিটাল গ্রাম

    বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদপত্র

    সম্পাদক: ডিজিটাল গ্রাম টিম

    ডিজিটাল গ্রাম শুধু একটি সংবাদমাধ্যম নয়—এটি গ্রামবাংলার কণ্ঠস্বর। প্রান্তিক মানুষের গল্প, সঠিক তথ্য ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে আমরা তুলে ধরি সেই খবর, যা অন্যরা দেখে না।

    যোগাযোগ

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    নিউজলেটার

    সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ইনবক্সে পান

    মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

    Google Play StoreApple App Store

    অভিযোগ জমা দিন

    আপনার মতামত বা অভিযোগ সরাসরি আমাদের কাছে পাঠান

    © সর্বসত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2026 | ডিজিটাল গ্রাম