কুষ্টিয়ার চরমপন্থী নেতা কালুকে রাজধানীর কাফরুল থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৩ এবং র্যাব-১২
কে এস ইসলাম :
গত ২২/০৪/২০২৬ খ্রিঃ রাতে কুষ্টিয়া জেলার সদর থানাধীন হরিপুর ঘাট এলাকায় গড়াই নদীর মুখ সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশের একটি দল অভিযানে গেলে ৮/৯ জন দুষ্কৃতিকারী স্পীডবোটযোগে এসে নৌ পুলিশের টহল টীমকে লক্ষ্য করে শর্টগানের গুলি ছুঁড়তে থাকে। দুষ্কৃতিকারীদের ছোঁড়া গুলিতে ইনচার্জ সহ ০৪ জন পুলিশ সদস্য এবং নৌ পুলিশের নৌকার মাঝি জখমপ্রাপ্ত হন। এ ঘটনায় লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জনাব খন্দকার শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে কুষ্টিয়া জেলার সদর থানার মামলা নং-২৪/১১৯,
এরই ধারাবাহিকতায়, চঞ্চল্যকর এই ঘটনার পরপরই র্যাবও আসামীদের গ্রেফতারে তৎপর হয়। নৌ পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে গ্রেফতারের চেষ্টাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২ সিপিসি-১ ও র্যাব-৩ সিপিসি-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অদ্য ০২/০৫/২৬ খ্রিঃ ১৭.৫০ ঘটিকার সময় ডিএমপির কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৪ পুলিশ কোয়ার্টার এর সামনে ফুট ওভারব্রীজের নিচে পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে তদন্তেপ্রাপ্ত (মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত) আসামী আব্দুল আলীম @ চিকন আলীম (৪৪), পিতা- বেলায়েত @ বিলাই, সাং- দয়ারামপুর ঘোষপাড়া, থানা- কুমারখালী, জেলা- কুষ্টিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, সে জাসদ গণ বাহিনীর ৯০ দশকের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের সামরিক প্রধান পলাতক চরমপন্থী নেতা কালুর পক্ষে কুমারখালী-খোকসা ও পদ্মা নদীতে প্রভাব বিস্তারে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে মর্মে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আব্দুল আলীম ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে বার বার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। তবে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সে র্যাবের জালে ধরা পড়ে। পরবর্তীতে ধৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে|