২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ
    লগইন
    ডিজিটাল গ্রাম
    অপরাধ, অপরাধী

    নূরেরচালায় মাদক কারবারের অভিযোগ, ঝুঁকিতে তরুণ সমাজ

    ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

    ইয়াবা-গাঁজা কেনাবেচা, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ চান স্থানীয়রা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

    রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নূরেরচালা বোর্ডঘাট এলাকার বি-ব্লক বালুর মাঠ ও ভোটগার্ড অটোস্ট্যান্ডের জিরো পয়েন্টে মাদক কেনাবেচার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এলাকাটিতে ইয়াবা ও গাঁজার কারবার চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তাঁদের দাবি, মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, মারকুল ওরফে মো. মাসুম, রাজু ও আলামিন নামে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং পরিচালনা, চাঁদাবাজি, জমি দখল, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তুলেছেন কেউ কেউ। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

    মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

    এলাকাবাসীর ভাষ্য, নূরেরচালা বোর্ডঘাটের কয়েকটি স্থানে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। এরপরও পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন না হওয়ায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ।

    তাঁদের আশঙ্কা, এলাকায় মাদকের বিস্তার অব্যাহত থাকলে তরুণ ও কিশোরদের একটি অংশ মাদকাসক্তি এবং অপরাধপ্রবণতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও উঠতি বয়সী তরুণদের মাদকের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    স্থানীয়দের কয়েকজনের অভিযোগ, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি কিংবা দলবদ্ধ হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ কারণে অনেকে প্রকাশ্যে নিজেদের বক্তব্য দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না বলে দাবি তাঁদের। তবে এসব অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন।

    প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

    ভাটারা থানার আওতাধীন এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, মাদকবিরোধী অভিযান এবং মাদক সরবরাহের উৎস শনাক্তে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।

    তবে মাদক কারবারের সঙ্গে পুলিশের কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন অভিযোগের পক্ষে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে এ ধরনের কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা দাবি

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, নূরেরচালা বোর্ডঘাট এলাকার মাদক কেনাবেচার অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকের উৎস ও সরবরাহব্যবস্থা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    এ বিষয়ে ভাটারা থানা পুলিশ এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    ডিজিটাল গ্রাম

    বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদপত্র

    সম্পাদক: ডিজিটাল গ্রাম টিম

    ডিজিটাল গ্রাম শুধু একটি সংবাদমাধ্যম নয়—এটি গ্রামবাংলার কণ্ঠস্বর। প্রান্তিক মানুষের গল্প, সঠিক তথ্য ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে আমরা তুলে ধরি সেই খবর, যা অন্যরা দেখে না।

    যোগাযোগ

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    নিউজলেটার

    সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ইনবক্সে পান

    মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

    Google Play StoreApple App Store

    অভিযোগ জমা দিন

    আপনার মতামত বা অভিযোগ সরাসরি আমাদের কাছে পাঠান

    © সর্বসত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2026 | ডিজিটাল গ্রাম