২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ
    লগইন
    ডিজিটাল গ্রাম
    অপরাধ, অপরাধী

    রাজধানীতে সাবেক কনস্টেবল সেলিমের বিরুদ্ধে জমি দখল সহ অঢেল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

    ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজধানীর কদমতলী ও শ্যামপুর এলাকায় সাবেক এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, জোরপূর্বক জমি দখল এবং রাজউকের নকশা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. সেলিম হোসেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবির সাবেক কর্মকর্তা হারুন অর রশীদের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং বিগত সরকারের পতনের পর গত ৫ আগস্টের পর কৌশলে পুলিশ চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সেলিম হোসেন কনস্টেবল পদে চাকরি করার সুবাদে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। কদমতলী ও এর আশেপাশের এলাকায় বর্তমানে তার শত কাঠারও বেশি জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাট রয়েছে। তিনি ‘এল্প অফ বিল্ডার্স লিমিটেড’, ‘পি.এম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড’ এবং ‘পি.এম কনস্ট্রাকশন পঞ্চগড় লিমিটেড’-এর মতো প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

    স্থানীয় ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাসেদ অভিযোগ করেন, ভুমিদস্যু সেলিম এবছর জুন মাসে সাড়ে ৩ কোটি টাকা খরচ করে শনির আখড়া এলাকার জাপানি বাজার সংলগ্ন ‘সরকার বাড়ি’ নামক একই দাগের ১৬৪২ হোল্ডিংয়ের ৫শতাংশ জায়গা সহ একটি ৫তলা বাড়ীটি ক্রয় করেন। তবে এই বাড়ীর জমিতে আমাদের আরো ১.৭১ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করেন। রাজউকের কোনো ধরনের নকশা অনুমোদন ছাড়াই বাড়ীটির অতিরিক্ত তলার নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সামান্য পরিমাণ জমি কিনে অন্যের জমি জবরদখল করা তার পুরোনো কৌশল। এছাড়া ফ্ল্যাট ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করে প্রতারণা করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দলিলপত্র ও নানা আইনি প্রক্রিয়ায় নিজের সম্পৃক্ততা ঢাকতে তিনি স্বল্প আয়ের কাঠমিস্ত্রি মো. মিনহাজুর রহমানকে ব্যবহার করে আসছেন।

    সেলিম হোসেনের মালিকানাধীন ও দখলকৃত সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ঠিকানার মধ্যে রয়েছে—ধনিয়ার জিয়া সরণী রোডের ১৬৪২ নম্বর হোল্ডিংয়ে তার নিজস্ব ডেভেলপার অফিস, পাটেরবাগের ফ্রেঞ্চ টাওয়ার, মাতুয়াইলের হাবিবনগর খানকা শরীফ রোড এবং শ্যামপুরের খানকাই রেজভিয়া সড়ক এলাকা। অবৈধ টাকার জোরে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলে প্রভাব বিস্তার করে তিনি সাধারণ মানুষের জমি বেদখল করে আসছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।

    এলাকাবাসীর পক্ষে এই ভূমিদস্যুর অনৈতিক কার্যক্রম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

    এব্যাপারে অভিযুক্ত কনস্টেবল সেলিম হোসেন বলেন, কারো জমি দখল করলে আইন আদালত দেখবে। অভিযোগকারীকে আদালতে যেতে বলেন।

    ডিজিটাল গ্রাম

    বাংলাদেশের অনলাইন সংবাদপত্র

    সম্পাদক: ডিজিটাল গ্রাম টিম

    ডিজিটাল গ্রাম শুধু একটি সংবাদমাধ্যম নয়—এটি গ্রামবাংলার কণ্ঠস্বর। প্রান্তিক মানুষের গল্প, সঠিক তথ্য ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে আমরা তুলে ধরি সেই খবর, যা অন্যরা দেখে না।

    যোগাযোগ

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    নিউজলেটার

    সর্বশেষ সংবাদ সরাসরি আপনার ইনবক্সে পান

    মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

    Google Play StoreApple App Store

    অভিযোগ জমা দিন

    আপনার মতামত বা অভিযোগ সরাসরি আমাদের কাছে পাঠান

    © সর্বসত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2026 | ডিজিটাল গ্রাম